২০০০০ টাকার মধ্যে ভালো ক্যামেরা ফোন

২০০০০ টাকার মধ্যে ভালো ক্যামেরা ফোন

২০,০০০ টাকার বাজেটে এখন বাংলাদেশ এর মার্কেটে স্মার্টফোনের ক্যামেরাগুলো আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে। আগে এই বাজেটে শুধু বেসিক লেন্স পাওয়া যেত, কিন্তু এখন বেশিরভাগ ব্র্যান্ডই নানান সেন্সর, হাই রেজোলিউশন ক্যামেরা, AI ইমেজ প্রসেসিং, এমনকি ভালো Night Mode-ও দিচ্ছে। 

তাই এই প্রাইস রেঞ্জে আপনি সহজেই সোশ্যাল মিডিয়াএ জন্য ছবি এবং প্রিমিয়াম লুকিং আউটপুট আশা করতে পারেন। এই আর্টিকেলে আমরা ২০,০০০ টাকার বাজেটে এমন কিছু ভালো ক্যামেরা ফোন নিয়ে আলোচনা করেছি, যেগুলো ক্যামেরা পারফরম্যান্সের দিক দিয়ে সত্যিই ভ্যালু ফর মানি। তাই বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ন আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।

বাজেটে ক্যামেরা ফোনে যা খেয়াল করবেন

এই বাজেটের ক্যামেরা ফোন কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস খেয়াল করলে আপনি আরও ভালো পারফরম্যান্স পাবেন। আমাদের রিভিউ করা ৫ টি ফোনের ফিচার দেখার আগে চলুন এই বিষয়গুলো দেখে আসি – 

১. সেন্সর সাইজ ও রেজোলিউশনঃ ২০,০০০ টাকার মধ্যে সাধারণত ৫০MP বা ৬৪MP মেইন ক্যামেরা পাওয়া যায়। মেগাপিক্সেল বেশি মানেই সবসময় ভালো ছবি – তা নয়। তবে বড় সেন্সরের ৫০MP ক্যামেরা সাধারণত ডে লাইটে খুব শার্প ও ডিটেইলড ফটো দিতে পারে।

২. অ্যাপারচার ও লো-লাইট পারফরম্যান্সঃ অ্যাপারচার যত কম (যেমন f/1.8 বা f/1.9), সেন্সর লো-লাইটে তত বেশি আলো ধরে। ফলে নাইট ফটোগ্রাফি অনেক ক্লিয়ার আসে। এই বাজেটে এখন কিছু ফোনে Night Mode বেশ ভালোভাবেই কাজ করে।

৩. OIS বা EIS: সব ফোনে না পেলেও কিছু ব্র্যান্ড এখন এই বাজেটেও EIS (Electronic Stabilization) দিচ্ছে। এটা ভিডিও ক্যাপচারকে খুব স্মুথ করে। আর OIS থাকলে তো আরও ভালো। এতে স্টিল ফটোও বেশি শার্প হয়।

৪. Ultra-Wide লেন্স থাকলে বাড়তি সুবিধাঃ ২০,০০০ টাকার মধ্যে বেশ কিছু ফোনে Ultra-Wide লেন্স থাকে, যা ট্রাভেল শট, বিল্ডিং, গ্রুপ ফটোসহ এসবকিছুর জন্য খুব দরকার।

৫. Portrait ও Skin Tone Processing: এই রেঞ্জে Portrait Mode এখন বেশ ভালো। AI edge detection ভালোভাবেই সাবজেক্ট আলাদা করতে পারে। স্কিন টোনও ন্যাচারাল রাখে। এগুলো আগে বাজেট ফোনে পাওয়া যেত না।

৬. ভিডিও রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ এখনকার এই বাজেটের প্রায় সব ফোনেই 1080p ভিডিও থাকে, কিছু ফোন 4K ও সাপোর্ট করে। ৩০fps-এর ভিডিওতে ভালো কালার আউটপুট পাওয়া যায়, আর স্ট্যাবিলাইজেশন থাকলে হ্যান্ডহেল্ড শটও স্মুথ হয়।

৭. ফ্রন্ট ক্যামেরাঃ এই রেঞ্জে ১৬MP থেকে ৩২MP এর মধ্যে সেলফি ক্যামেরা পাওয়া যাবে, যেখানে স্কিন টোন, HDR ও ব্যাকগ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং অনেকটাই ভালো।

২০,০০০ টাকার বাজেটের মধ্যে ভালো ক্যামেরা ফোন খুঁজে পাওয়া আগে সহজ কাজ ছিল না। তবে এখন বাজারে এমন অনেক স্মার্টফোন আছে, যা এই প্রাইস রেঞ্জে প্রিমিয়াম লুকিং ছবি এবং স্টাইলিশ ভিডিও ক্যাপচার করতে পারে। নিচে এমনই পাঁচটি স্মার্টফোনের কম্পিলিট ক্যামেরা রিভিউ দেয়া হলোঃ 

২০০০০ টাকার মধ্যে ৫টি ভালো ক্যামেরা ফোন

১। Galaxy M36 5G

Galaxy M36 5G–এর ক্যামেরাতে প্রথম যেটা চোখে পড়ে, তা হলো এর f/1.8 এর 50MP প্রাইমারি সেন্সর। দিনের আলোতে রঙ খুবই ন্যাচারাল থাকে, বাড়তি স্যাচুরেশন বা শার্পনেস চোখে লাগে না। কম আলোতে এসে সেন্সরের বড় অ্যাপারচার আর OIS-এই দুই মিলে হাতের কম্পন থেকে ছবিকে বেশ অনেকটাই বাঁচিয়ে নেয়।

এর 8MP ultra-wide ক্যামেরাও টোন মেইন ক্যামেরার সঙ্গে মোটামুটি মিল রেখে প্রসেস করে। ম্যাক্রো ক্যামেরা 2MP হলেও কাছ থেকে ফুল, খাবার বা ছোট জিনিসপত্রের শট নিয়ে ভালো লাগবে। আউটপুট খুব প্রিমিয়াম না হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য যথেষ্ট ভালো। 

Galaxy M36 এর HDR মোড বিশেষ সুবিধা  দিবে যদি সূর্যের বিপরীতে ছবি তোলেন, তখন শ্যাডো আর সানলাইটের পার্থক্যটা সুন্দরভাবে ব্যালান্স করে দেয়। ডিজিটাল জুম 10x পর্যন্ত করা যায়, যদিও 5x-এর পর ডিটেইলস কমতে থাকে। তবে এটা এই রেঞ্জের ফোনগুলোর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক।

ভিডিওতে Galaxy M36 সত্যিই ইমপ্রেসিভ। 4K 30fps এই রেঞ্জে খুব কম ফোনেই পাওয়া যায়, আর Galaxy M36 এর ফুটেজ যথেষ্ট ক্লিয়ার ও স্টেবল। চলন্ত অবস্থায় রেকর্ড করলেও ফোকাস দ্রুত অ্যাডজাস্ট হয়, আর ফ্রেম শেক কম করে। 1080p 60fps-এ ভিডিও নেওয়ার সময় মোশনটা আরও স্মুথ দেখায়।

সেলফি ক্যামেরা 13MP হলেও, দিনের আলোয় বেশ সুন্দর ছবি তোলে। স্কিন টোনটা সফট, আর ফিল্টার না দিয়েও সুন্দর দেখায়। Galaxy M36 সেলফি ভিডিওতে 4K সাপোর্ট করে, যা সত্যিই এই দামের ফোনে rare এবং এর ভিডিও কোয়ালিটি Social Media-তে আপলোডের জন্য একদম পারফেক্ট।

Camera Specification: 

Specs Details 
ChipsetExynos 1380 (5 nm)
Camera Setup Triple 
Primary Camera50 MP
Ultra-Wide Angle Camera8 MP
Macro Lens2 MP
Selfie Camera13 MP

আরও পরুনঃ- ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ক্যামেরা ফোন

২। Redmi Note 14 4G

Redmi Note 14 4G তে আছে 108 MP এর f/1.7 সহ প্রাইমারি সেন্সর, যা এই বাজেটের জন্য অনেক শক্তিশালী। হাই রেজল্যুশন ও ওয়াইড অ্যাপারচারের কারণে ছবিতে ডিটেইলস, শার্পনেস এবং লো-লাইট পারফরম্যান্সসহ সব ক্ষেত্রেই ভালো আউটপুট দেখা যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যা বা ইনডোরে ন্যাচারাল এক্সপোজারেও কম নয়েজ আসে, সাথে OIS থাকায় শট ব্লার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

সঙ্গে থাকা 2MP ম্যাক্রো এবং 2MP ডেপথ সেন্সর বেসিক কাজগুলো ঠিকভাবেই করে। HDR মোডে আকাশ বা ব্যাকলাইটের সামনে ছবি তুললে শ্যাডো ও হাইলাইটে ভালো ব্যালান্স দেখা যায়। ভিডিও রেকর্ডিংয়ে সর্বোচ্চ 1080p তে 60fps সাপোর্ট থাকায় ফ্রেম ফ্রিজ হওয়ার মতো তেমন কোনো সমস্যা দেখা যায় না।

সেলফির জন্য রয়েছে 20MP এর f/2.2 লেন্স, যা ডে-লাইটে স্কিন টোনকে নরমাল ও ন্যাচারাল রাখে। গ্রুপ সেলফি বা সাধারণ ভ্লগিংয়ের জন্য 1080p তে ডিটেইলস ভালো আসে এবং ফোকাস ট্রানজিশনও স্মুথ থাকে, যদিও কম আলোতে কিছুটা গ্রেইন দেখা যেতে পারে, যা এই রেঞ্জে স্বাভাবিক।

সব মিলিয়ে, যারা বাজেটের মধ্যে সবচেয়ে ব্যালান্সড ক্যামেরা পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য Redmi Note 14 4G খুবই ভালো একটি চয়েস। বিশেষ করে 108MP সেন্সর, OIS এবং কোয়ালিটি কালার প্রসেসিং – এই তিনটি দিক মিলিয়ে ফোনটি ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি দুটোর জন্যই ভ্যালুএবল একটি প্যাকেজ। 

Camera Specification: 

Specs Details 
ChipsetMediatek Helio G99 Ultra (6 nm)
Camera Setup Triple
Primary Camera108 MP
Macro Lens2 MP
Depth Sensor2 MP
Selfie Camera20 MP

৩। Motorola Moto G64 5G

Motorola সবসময়ই ন্যাচারাল কালার, স্টেডি আউটপুট আর সফট ইমেজ প্রসেসিংয়ের জন্য জনপ্রিয়। Moto G64 5G সেই ধারাটাকে বাজেট ক্যাটাগরিতেই দারুণভাবে ধরে রেখেছে। এই দামে 50MP OIS মেইন সেন্সর এবং 8MP Ultra-Wide দুটোর কম্বিনেশন অন্য ফোনে খুব কমই দেখা যায়।

ডে-লাইটে Moto G64 5G-এর ৫০ মেগাপিক্সেলের মেইন সেন্সর অসাধারণ ক্লিন এবং ডিটেইলড ছবি তোলে। রোদে বা ইনডোর লাইটে ছবির রঙ ন্যাচারাল থাকে, অতিরিক্ত saturation দেখা যায় না এবং স্কাই ব্লু, সবুজ গাছ বা বিল্ডিং সবকিছুই বাস্তবের মতো ব্যালান্সড দেখায়। টেক্সচারের ডিটেইল খুবই শার্প, আর OIS থাকার কারণে হাত একটু কাঁপলেও ছবি ব্লার হয় না। 

Ultra-Wide 8MP সেন্সরটি বাস্তবে ভালো পারফর্ম করে। Landscape বা গ্রুপ ফটোতে কর্নার ডিস্টরশন খুব কম দেখা যায়। 

লো-লাইট পারফরম্যান্সে Moto G64 সত্যিই ইমপ্রেসিভ; f/1.8 অ্যাপারচার এবং OIS মিলে কম আলোতেও পর্যাপ্ত ব্রাইটনেস ও ডিটেইল ধরে রাখে, ফলে নাইট শর্টে অন্ধকার অংশগুলো ব্ল্যাক ক্রাশ করে না। রাস্তার আলোয় বা ক্যাফের মতো ইনডোরেও ন্যাচারাল কালার পাওয়া যায়। Night Mode অন করে ছবির ক্ল্যারিটি আরও বাড়ানো সম্ভব।

Portrait এর ক্ষেত্রে Motorola সবসময়ই আলাদা, Moto G64-এ edge detection, smooth bokeh এবং ন্যাচারাল স্কিন টোনসহ সব মিলিয়ে সফটওয়্যার প্রসেসিং খুব সুন্দরভাবে সাবজেক্টকে আলাদা করে তুলে।

ভিডিও রেকর্ডিংয়ে OIS থাকার সুবিধাটা Moto G64 এ খুব ভালোভাবে বোঝা যায়। 1080p তে ফুটেজ যথেষ্ট স্টেডি থাকায় হাঁটতে হাঁটতে শ্যুট করলেও কাঁপুনি কম থাকে। কালার টোন ন্যাচারাল, এক্সপোজার শিফট খুব স্মুথ। Dual video mode দিয়ে সামনে এবং পেছনের ক্যামেরায় একসাথে রেকর্ড করা যায়, যা vlog এবং social content-এর জন্য দারুণ এক ফিচার।

Selfie ক্যামেরা 16MP হলেও Motorola এটাকে খুব ভালোভাবে টিউন করেছে, ডে-লাইটে শার্প এবং ন্যাচারাল সেলফি তোলা যায়। ইনডোরের ছবি soft হলেও usable এবং চলনসই টোন থাকে। Selfie ভিডিওতেও 1080p আউটপুট ভীষণ স্টেডি থাকে। মুখের এক্সপোজার ঠিকঠাক ধরে রাখে, আর indoor lighting-এ ভিডিওর কোয়ালিটি social media-র জন্য যথেষ্ট ভাল।

Camera Specification: 

Specs Details 
ChipsetMediatek Dimensity 7025 (6 nm)
Camera Setup Dual
Primary Camera50 MP
Ultra-Wide Angle Camera8 MP
Selfie Camera16 MP

৪। iQOO Z10x 5G

Z10x 5G-এর ক্যামেরা সেগমেন্টটা এই বাজেটে সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। বিশেষ করে ৫০MP মেইন সেন্সর আর f/1.8 অ্যাপারচার ডে-লাইট থেকে শুরু করে লো-লাইট, দুই পরিস্থিতিতেই বেশ শার্প এবং ন্যাচারাল আউটপুট দেয়।

উজ্জ্বল আলোতে প্রাইমারি ক্যামেরা বেশ ডিটেইলড ছবি তোলে, দিনের আকাশ, সবুজ গাছ, বিল্ডিং সবকিছুই ব্যালান্সড কালারে আসে। Z10x এর Image Processing ততটা অ্যাগ্রেসিভ না হওয়ায় oversaturated বা oversharpening দেখা যায় না। 

এর f/1.8 বড় অ্যাপারচারের জন্য কম আলোতেও সেন্সর ভালো পরিমাণ আলো ধরতে পারে, তাই নাইট শটে Noise কম থাকেম আর অনেক সময়ই চোখে পড়ার মতো ভালো ব্রাইটনেস আসে। স্ট্রীটলাইট বা ইনডোর LED-এর নিচে ছবি তুললে স্বাভাবিক রঙ পাওয়া যায়, হলুদ বা কমলা টিন্টের মতো ঝামেলা একদমই নেই।

2MP depth সেন্সরটি সাধারণ মনে হলেও, এ্যাডভান্সড সফটওয়্যারের কারণে Portrait Mode-এর আউটপুট বেশ প্রিমিয়াম লাগে।  এর edge detection, ন্যাচারাল টোন, আর smooth ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার মিলিয়ে অনেকটা professional camera তে তোলা ছবির মতো vibe আসে।

iQOO Z10x এই দামে 4K ভিডিও দেওয়াটা একটা হাইলাইটেড বিষয়, ভিডিওর শার্পনেস বেশ ভালো এবং কালার রেন্ডারিং খুব ন্যাচারাল। অ্যাডভান্সড ইউজাররা Exposure বা ISO কন্ট্রোল করে খুব সহজেই cinema-like শট তৈরি করতে পারবেন।

ফোনটির ফ্রন্টে ৮MP শুনে অনেকের মন খারাপ হতে পারে কিন্তু আউটপুট surprisingly ভালো। ডে-লাইটে স্কিন টোন, টেক্সচার বেশ ভালো আসে, আর HDR সাপোর্ট থাকায় iQOO Z10x ভালো ব্যাকলাইট সামাল দিতে পারে।

Camera Specification: 

Specs Details 
ChipsetMediatek Dimensity 7300
Camera Setup Dual
Primary Camera50 MP
Depth Sensor2 MP
Selfie Camera8 MP

আরও পরুনঃ- ২৫০০০ টাকার মধ্যে ভালো গেমিং ফোন

৫। Realme C65

Realme C65–এর 50MP সেন্সর দিনের আলোয় যথেষ্ট ডিটেইলড ছবি দিয়ে থাকে, তাই ফুল, খাবার বা আউটডোরের ছবিসহ সবকিছুই বেশ শার্প দেখায়। বড় অ্যাপারচারের কারণে ইনডোর বা একটু কম আলোতেও ছবি মোটামুটি ঠিক আসে, তবে কিছুটা নয়েজ দেখা যায় যা এই রেঞ্জের ফোনের জন্য স্বাভাবিক।

ফোনটিতে 2MP ম্যাক্রো ক্যামেরাও আছে, যা খুব প্রিমিয়াম ম্যাক্রো শট দিতে পারবে না, কিন্তু কাছ থেকে কোনো জিনিসের texture ধরতে চাইলে ভালো কাজ করে। Realme সাধারণত তাদের ইমেজ প্রসেসিং-এ warm টোন দেয়, তাই স্কিন টোন মোটামুটি সুন্দর দেখায় । যদি আলো-ছায়া বেশি থাকা জায়গায় ছবি তোলেন তাহলে HDR মোডটা এখানে কাজে দেয়। যদিও এতে ডিজিটাল জুম আছে, তবে 2–3x এর বেশি গেলে ডিটেইল কমতে শুরু করে।

ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে Realme C65 সর্বোচ্চ 1080p 30fps সাপোর্ট দেয়, ফ্রেম বেশ স্টেবল  আর কালার প্রসেসিংও মোটামুটি ভালো। তবে হাতে বেশি কাঁপুনি থাকলে ক্যামেরা শেক আসতে শুরু করে, কারণ এতে কোনো EIS নেই। সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও, ছোটখাটো vlog বা ডেইলি মোমেন্ট শেয়ার করার জন্য ভিডিওর মানট ভালোই বলা চলে।

সেলফি ক্যামেরা হিসেবে পাচ্ছেন 8MPএর সাথে f/2.05 লেন্স, যা দিনের আলোতে ক্লিন আর স্কিন-ফ্রেন্ডলি ছবি তোলে। Realme–র বিউটিফিকেশন এখানে একটু বেশি সক্রিয়। মানে স্কিন একটু সফট দেখায়, কিন্তু তাতে ছবিটা খারাপ দেখায় না। বরং, অনেক ইউজারের কাছে এটাই পছন্দনীয়। সেলফি ভিডিওতেও 1080p সাপোর্ট আছে, যা TikTok, Instagram বা Facebook রিলের জন্য যথেষ্ট উপযোগী। 

Camera Specification: 

Specs Details 
ChipsetMediatek Helio G85 (12nm)
Camera Setup Dual
Primary Camera50 MP
Depth Camera2 MP
Selfie Camera8 MP

২০,০০০ টাকার মধ্যে এখন এমন অনেক স্মার্টফোনই পাওয়া যায়, যেগুলো দামি ফোনের কাছাকাছি ফটো ও ভিডিও পারফরম্যান্স দেখায়। সেন্সর, ভালো অ্যাপারচার, OIS/EIS, Ultra-Wide লেন্স এবং উন্নত Portrait Mode-এর মতো ফিচারগুলো এই বাজেটেই এখন পাওয়া যাচ্ছে, যা ডে-লাইট ও লো-লাইট দুই অবস্থাতেই প্রিমিয়াম আউটপুট দিতে পারে। 

তবে, এই প্রাইস রেঞ্জের ফোন বেছে নেওয়ার সময় কেবল মেগাপিক্সেল নয় বরং সামগ্রীকভাবে ক্যামেরা পারফরম্যান্স এবং সফটওয়্যার প্রসেসিংকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। ‘

আপনিও কি আপনার ফটোগ্রাফি এক্সপেরিয়েন্সকে নতুন লেভেলে নিয়ে যেতে চান? তাহলে আজই Apple Gadgets থেকে ঘুরে আসুন। এখানে আপনি পাবেন শুধুমাত্র অরিজিনাল ক্যামেরা ফোন, যা আপনার প্রতিটি শটকে করে তুলবে প্রিমিয়াম। ডে-লাইট হোক বা নাইট শট, ভিডিও হোক বা সেলফি – সবকিছুতেই পাবেন পারফেক্ট আউটপুট। 

তাই দেরি না করে এখনই ভিজিট করুন Apple Gadgets আর নিজেই বেছে নিন সেই ফোন, যা বাজেটের মধ্যে আপনার ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফিকে নিয়ে যাবে next level-এ !

Similar Posts