ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার এর মধ্যে পার্থক্য কী

ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার এর মধ্যে পার্থক্য কী? কোনটি আপনার বেশি প্রয়োজন?

আপনি একটি  নতুন একটি গ্রাইন্ডার বা ব্লেন্ডার কিনতে চাচ্ছেন  কিন্তু বুঝতে পারছেন না, ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডারের মধ্যে তফাৎ কী, কোনটি আপনার রান্নাঘরের কাজের জন্য বেশি উপযুক্ত। আজকের এই আর্টিকেলে, আমরা ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডারের মধ্যে পার্থক্য, কোনটা কখন ব্যবহার করবেন বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। সেই সাথে আপনার জন্যে উপযোগী কিছু ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার সাজেশন দিয়ে দিবো।   

ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা 

ব্লেন্ডার 

নাম শুনেই বুঝা যায়, ব্লেন্ডার মূলত “ব্লেন্ড” করার জন্য তৈরি এবং এটি প্রধানত লিকুইড খাবার বা পেস্ট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।ব্লেন্ডারের প্রধান চালিকাশক্তি হলো এর বেসে থাকা একটি উচ্চ গতির বৈদ্যুতিক মোটর, যা সাধারণত একটি ড্রাইভ শ্যাফটের মাধ্যমে জারের ভেতরের ব্লেডের সাথে যুক্ত থাকে, যা খাবার উপাদানগুলোকে একসাথে মিশিয়ে স্মুথ লিকুইড টেক্সচারে নিয়ে আসে। বাজারে আপনি জার-সহ বা জার ছাড়া দুই ধরনের ব্লেন্ডারই পাবেন।  

ব্লেন্ডারের প্রকারভেদ নিম্নে আলোচনা করা হলো- 

  • কাউন্টারটপ ব্লেন্ডার (Countertop Blender): সাধারণত আমাদের রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এই ধরনের ব্লেন্ডারটি। এতে আছে পাওয়ারফুল মোটর বেইজ এবং উপরে একটি বড় কাঁচ বা প্লাস্টিকের জগ থাকে। একসাথে বেশি পরিমাণে জুস, স্মুদি বা মিল্কশেক তৈরি করার জন্য এটি বেশ উপযোগী।
  • ইমারসন বা হ্যান্ড ব্লেন্ডার (Hand Blender): হ্যান্ড ব্লেন্ডার দেখতে লম্বা স্টিকের মতো, যা সরাসরি কোনো হাঁড়ি, বাটি বা গ্লাসের ভেতরে ঢুকিয়ে ব্যবহার করা যায়। ডাল ঘুঁটা, স্যুপ ব্লেন্ড করা কিংবা অল্প পরিমাণ সস তৈরির জন্য এই ধরনের ব্লেন্ডার অত্যন্ত কার্যকরী।  
  • পার্সোনাল বা বুলেট ব্লেন্ডার (Personal/Bullet Blender): যারা জিম করেন, তাদের মধ্যে বুলেট ব্লেন্ডার বেশ জনপ্রিয়। এই ব্লেন্ডারের জগটি আকারে ছোট হয় এবং ব্লেন্ড করার পর সেই জগটিকেই বোতল হিসেবে ব্যবহার যায়। এটি মূলত চটজলদি এক গ্লাস স্মুদি বা প্রোটিন শেক বানানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
  • হাই-পারফরম্যান্স ব্লেন্ডার (High-Performance Blender): এই ধরনের ব্লেন্ডার সাধারণ ব্লেন্ডারের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ারফুল এবং সাস্টেইনেবল হয়। এই ব্লেন্ডার দিয়ে শুধু জুস নয়, বরং শক্ত বাদাম থেকে বাটার তৈরি করা, শস্যদানা গুঁড়ো করা এমনকি বরফকেও পাউডারের মতো করে ফেলা যায়। 
  • পোর্টেবল ব্লেন্ডার (Portable/Battery Powered Blender): এই ব্লেন্ডারগুলো রিচার্জেবল ব্যাটারির সাহায্যে চলে এবং আকারে খুব ছোট হয়। আপনি যদি ভ্রমণে যান বা অফিসে বসে ফলের জুস খেতে চান, তবে এটি অনায়াসেই সাথে রাখতে পারবেন। 

ব্লেন্ডার কমপ্যাক্ট এবং হালকা হওয়ায় পরিষ্কার করা ও রক্ষণাবেক্ষণও সহজ হয়। এছাড়াও বাজার থেকে ব্লেন্ডার কেনার সময় দেখে নেবেন মাল্টিপল স্পিড সেটিং আছে কিনা; এটি আপনাকে  কনসিস্টেন্সি নিয়ন্ত্রণে আরও ভালো সুবিধা দেবে।   

গ্রাইন্ডার

গ্রাইন্ডারে  আছে একটি দ্রুত ঘূর্ণনশীল চাকা (Abrasive Wheel)  যা ব্যবহার করে খাবারের উপরের ভাগ ঘষে তুলে ফেলে, এর মূল চালিকাশক্তি হলো একটি বৈদ্যুতিক মোটর (সাধারণত ইউনিভার্সাল মোটর), যা গ্রাইন্ডিং হুইলটিকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে ঘোরায়। যখন এই দ্রুত ঘূর্ণায়মান রুক্ষ চাকাটিকে কোনো ধাতব বা কঠিন ওয়ার্কপিসের সংস্পর্শে আনা হয়, তখন প্রবল ঘর্ষণের ফলে সংশ্লিষ্ট বস্তু থেকে অতিরিক্ত উপাদান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা হিসেবে কেটে বেরিয়ে আসে। গ্রাইন্ডার শক্ত খাবার পিষে গুঁড়া বা পেস্ট বানাতে পারে। সাধারণত গ্রাইন্ডারে বিভিন্ন ক্যাপাসিটির একাধিক জার থাকে। গ্রাইন্ডার কয়েকধরনের হতে পারে, যেমন-

  • মিক্সার গ্রাইন্ডার (Mixer Grinders): এটি মাল্টি পারপাস কাজে ব্যবহার করা যায়। মশলা পিষতে, চাটনি তৈরি করতে এবং ব্লেন্ডিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • মিট গ্রাইন্ডার (Meat Grinders): কাবাব বা বার্গারের জন্য মাংসের কিমা তৈরি করতে এই ধরনের গ্রাইন্ডার ব্যবহৃত হয়। 
  • কফি গ্রাইন্ডার (Coffee Grinders): কফি বিন বা দানা গুঁড়ো করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি গ্রাইন্ডার।
  • স্পাইস/হার্ব গ্রাইন্ডার (Spice/Herb Grinders): শুকনো মশলা গুঁড়ো করার জন্য এই ধরনের গ্রাইন্ডার ব্যবহৃত হয়। 

ইতোমধ্যে ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার সম্পর্কে বেশ ভালো একটি ধারণা পেয়ে গিয়েছেন আশা করি। এইবার জেনে নেওয়া যাক ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার এর পার্থক্য।

আলোচ্য বিষয়ব্লেন্ডারগ্রাইন্ডার
ব্যবহারব্লেন্ড করে লিকুইড খাবার তৈরি করা পাউডার এবং ক্ষেত্রবিশেষে পেস্ট তৈরি
সবচেয়ে ভালোমিল্কশেক, স্মুদি, জুস, স্যুপমশলা, চাটনি, বাটার
পরিষ্কার করার প্রসেসকমপ্যাক্ট ডিজাইনের কারনে সহজএকাধিক পার্টস থাকায় একটু সময়সাপেক্ষ
দামকোয়ালিটি, ফিচার ও পার্টস অনুযায়ী পরিবর্তিতকোয়ালিটি, ফিচার ও পার্টস অনুযায়ী পরিবর্তিত

আরও পরুনঃ- ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলার পার্থক্য

আপনার জন্যে রিকমেন্ডেশন

আপনি নিশ্চয়ই মিক্সার গ্রাইন্ডার এবং ব্লেন্ডারের মূল পার্থক্য বুঝে গেছেন ইতোমধ্যে। কিন্তু এখনও কি কনফিউশনে আছেন কোনটি আপনার জন্যে পারফেক্ট? চিন্তার কারন নেই। আপনার কনফিউশন ক্লিয়ার করছি। আপনি-  

ব্লেন্ডার কিনুন যদি:

  • প্রতিদিন স্মুদি, শেক বা জুস বানান।
  • নিয়মিত স্যুপ এবং পিউরি তৈরি করেন।
  • হেলদি ড্রিংক বা ডিটক্স ওয়াটার পছন্দ করে।
  • বেবি ফুড বানানোর প্রয়োজন পড়ে। 
  • ছোট রান্নাঘর এবং কম জায়গা আছে।
  • গ্রাইন্ডার কিনুন যদি:
  • প্রতিদিন মশলা গুঁড়ো করা লাগে। 
  • নিয়মিত চাটনি, আচার বা পেস্ট তৈরি করেন। 
  • ট্র্যাডিশনাল রান্না বেশি করেন। 
  • একসাথে ড্রাই ও ওয়েট গ্রাইন্ডিং দুটোই দরকার। 

অথবা দুটোই কিনুন যদি পরিমাণে বেশি এবং বৈচিত্র্যময় রান্না করেন। 

কেনার সময় লক্ষণীয় বিষয়সমূহ

ব্লেন্ডার কিংবা গ্রাইন্ডার কিনতে গেলে কিছু বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, যেমন-

  • একটি ব্লেন্ডার বা গ্রাইন্ডারের কার্যক্ষমতা তার মোটরের ওপর নির্ভর করে; সাধারণ ব্লেন্ডারের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০০ ওয়াট এবং মিক্সার গ্রাইন্ডারের জন্য ৭৫০ ওয়াট বা তার বেশি পাওয়ারের মোটর বেছে নেওয়া উচিত। 
  • ব্লেডের ক্ষেত্রে অবশ্যই উন্নত মানের স্টেইনলেস স্টিল কিনা তা নিশ্চিত হয়ে ক্রয় করা উচিত এবং ব্লেডগুলো যেন সহজে খুলে পরিষ্কার করা যায় এই বিষয়টিও খেয়াল রাখা জরুরি। 
  • জারের ক্ষেত্রে ব্লেন্ডারে অন্তত ১.৫ লিটার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন এবং মিক্সার গ্রাইন্ডারে ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য তিনটি আলাদা মাপের জার থাকলে সেটি ক্রয় করা উচিত। 
  • স্থায়িত্ব বিবেচনায় রাখলে প্লাস্টিকের চেয়ে গ্লাস বা স্টেইনলেস স্টিলের জার বেছে নিবেন।
  • ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ব্লেন্ডারে ওভারলোড প্রটেকশন, নন-স্লিপ বেস এবং লক সিস্টেম আছে কিনা অবশ্যই চেক করে নিবেন।
  • কেনার সময় অন্তত ১-২ বছরের ওয়ারেন্টি এবং স্পেয়ার পার্টস পাওয়ার নিশ্চয়তা দেখে নেওয়া উচিত। 
  • ব্যবহারের সুবিধার জন্য কম শব্দ করে এমন মডেল এবং যা সহজে খোলা ও পরিষ্কার করা যায় (ডিশওয়াশার সেফ) এমন প্রোডাক্ট বেছে নিবেন। 

ব্লেন্ডার এবং গ্রাইন্ডার সাজেশন

ব্লেন্ডার এবং গ্রাইন্ডার সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পেয়ে গিয়েছেন আশা করি। এখন কয়েকটি ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডারের সাজেশন নিম্নে দেওয়া হলো-

১. Panasonic MX-SS40 Hand Blender

Panasonic MX-SS40 Hand Blender ৬০০ ওয়াটের হ্যান্ড ব্লেন্ডারটি হরেকরকম রান্নার কাজের জন্য সেরা। এর বিশেষ ‘ফোর-ব্লেড’ সিস্টেম (দুটি সোজা ও দুটি কোণাকৃতির ব্লেড) স্মুথ ব্লেন্ডিং এক্সপেরিয়েন্স দেয়। এতে ব্লেন্ডার শ্যাফট, চপার বোল এবং হুইস্ক অ্যাটাচমেন্ট রয়েছে, যা দিয়ে স্মুদি বানানো থেকে শুরু করে সবজি কাটা বা ডিম ফেটানোসহ সবই সম্ভব। 

এছাড়াও আছে স্টেইনলেস স্টিল শ্যাফট ফলে সরাসরি গরম পাত্রে ব্যবহার করা যায়। এই ব্লেন্ডারে পাবেন ভেরিয়েবল স্পিড কন্ট্রোল এবং ডিশওয়াশার সেফ পার্টস যা ছোট ও মাঝারি পরিবারের জন্য একটি স্মার্ট কিচেন সলিউশন হতে পারে।

২. Jaipan Platinum Blender

সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স পেতে চাইলে Jaipan Platinum Blender উইশলিস্টে রাখতে পারেন। এই ব্লেন্ডারে আছে মজবুত গ্লাস জার এবং শক্তিশালী স্টেইনলেস স্টিল ব্লেড, যা স্মুদি, জুস, শেক অনায়াসে তৈরি করতে পারে। এছাড়াও মাল্টিপল স্পিড সেটিংস এবং পালস ফাংশন রয়েছে। আছে সেইফ লক সিস্টেম। যারা নিয়মিত বেশি পরিমাণে জুস বা ব্লেন্ডিংয়ের কাজ করেন, তাদের জন্য এই ব্লেন্ডার একটি টেকসই ও পারফেক্ট চয়েস হতে পারে।   

৩. Miyako SCARLET Mixer Grinder

Miyako SCARLET Mixer Grinder একটি ২২০০ ওয়াটের সুপার পাওয়ারফুল মিক্সার গ্রাইন্ডার। এতে আছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মোটর ফলে শক্ত মশলা বা বাদাম অনায়াসেই মিহি করা যায়। এছাড়াও ব্লেন্ডিং, গ্রাইডিং এবং চাটনি তৈরির জন্য তিনটি আলাদা স্টেইনলেস স্টিল জার রয়েছে। এতে আছে ওভারলোড প্রটেকশন। দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য স্পেশাল গ্রেড নাইলন কাপলার ব্যবহার করা হয়েছে। থ্রি-স্পিড কন্ট্রোল এবং হ্যান্ডস-ফ্রি অপারেশনের সুবিধাযুক্ত এই মডেলটি বড় পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার কাজের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হবে। 

৪. Intex Indo1200 Mixer Grinder

Intex Indo1200 Mixer Grinder মডেলটি মূলত সাশ্রয়ী দাম এবং পাওয়ারফুল পারফরম্যান্সের এক দারুণ সমন্বয়। ১২০০ ওয়াটের মোটরচালিত এই গ্রাইন্ডার প্রতিদিনের মশলা পেষা বা চাটনি তৈরির জন্য যথেষ্ট। কেনার সময় লিকুইডাইজিং, গ্রাইন্ডিং এবং চাটনি তৈরির জন্য তিনটি পৃথক স্টেইনলেস স্টিল জার পাবেন। উন্নত বিল্ড কোয়ালিটির এই মিক্সার গ্রাইন্ডারটি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য একটি পারফেক্ট ও দীর্ঘস্থায়ী কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স হতে পারে। 

ব্লেন্ডার এবং গ্রাইন্ডার ব্যবহারের কিছু টিপস

আপনার ব্লেন্ডার বা মিক্সার গ্রাইন্ডারের সঠিক যত্ন এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নিচের নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি। 

ব্লেন্ডার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম:

  • ব্লেন্ডার ব্যবহারের সময় কখনোই জারের সম্পূর্ণ অংশ ভরা উচিত নয়; সর্বোচ্চ ৩/৪ অংশ পূর্ণ করবেন এতে মোটরের ওপর চাপ কম পড়ে। 
  • গরম খাবার ব্লেন্ড করার আগে কিছুটা ঠান্ডা করে নেওয়া জরুরি, অন্যথায় ভেতরে তৈরি হওয়া বাষ্পের চাপে ঢাকনা খুলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। 
  • শুকনো খাবার পেষার সময় সামান্য পানি বা তেল যোগ করলে ব্লেড সহজে ঘোরে। 
  • একটানা ২-৩ মিনিটের বেশি ব্লেন্ডার না চালিয়ে ‘পালস’ ফাংশন ব্যবহার করা ভালো, এতে মোটর ঠান্ডা থাকে এবং খাবারের টেক্সচারও মিহি হয়।

পরিষ্কার রাখার কার্যকর উপায়:

  • ব্লেন্ডার ব্যবহারের পরপরই ধুয়ে ফেলা উচিত, যাতে খাবার শুকিয়ে ব্লেডে লেগে না থাকে। 
  • জারের ভেতর সামান্য সাবান ও গরম পানি দিয়ে ১০-১৫ সেকেন্ড চালালে ব্লেডের চারপাশ সহজেই পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে ব্লেড পরিষ্কারের সময় এর ধার সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 
  • মোটরের মূল বডি বা বেস কখনো পানিতে ডোবানো যাবে না; এটি কেবল ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। 
  • ধোয়ার পর প্রতিটি অংশ ভালোমতো শুকিয়ে তবেই সংরক্ষণ করবেন। 

দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করার কৌশল:

  • দীর্ঘকাল সচল রাখতে মাসে অন্তত একবার ব্লেড ও রাবার সিলের অবস্থা পরীক্ষা করুন। কিছু মডেলের বেয়ারিংয়ে ম্যানুয়াল অনুযায়ী ফুড-গ্রেড লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। 
  • আর্দ্রতা থেকে বাঁচাতে ব্লেন্ডার সবসময় শুকনো ও ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করুন। 
  • ভোল্টেজের ওঠানামা থেকে মোটরকে রক্ষা করতে একটি সার্জ প্রটেক্টর বা স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করবেন। 

পরিশেষ

ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার এর পার্থক্য সম্পর্কে বেশ ভালো একটি ধারণা পেয়েছেন আশা করি। এখন আপনি আপনার রান্নার ধরন এবং দৈনন্দিন চাহিদা বুঝে সিদ্ধান্ত নিন কোনটি আপনার জন্যে পারফেক্ট। তবে আপনার বাজেট যদি সাপোর্ট করে এবং জায়গা থাকে তবে দুটোই রাখতে পারেন। ভালো মানের ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার কিনতে আজই ভিজিট করুন Apple gadgets এ।

Similar Posts