কোন ব্র্যান্ডের ওভেন ভালো | পারফরম্যান্স, ফিচার দেখে কিনুন
ব্যস্ত লাইফস্টাইল আর আধুনিক রান্নার চাহিদার কারণে এখন বাসায় একটি ভালো ওভেন থাকা প্রায় অপরিহার্য হয়ে গেছে। সকালে আগের রাতের খাবার একটু রিহিট করা থেকে শুরু করে সন্ধ্যায় বেক করা কেক, পিজ্জা বা গ্রিলড চিকেনসহ সবকিছুর জন্যই ওভেন আজ অনেক পরিবারের কিচেনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বাজারে ঢুকলেই একটা প্রশ্ন সবার আগে মাথায় আসে- “আসলে কোন কোম্পানির ওভেন ভালো?”
কারণ অপশন এখন প্রচুর। কনভেকশন ওভেন, মাইক্রোওভেন, OTG নামের ভিড়ে অনেক সময় কনফিউশন তৈরি হয়। আবার একেক ব্র্যান্ড একেক ধরনের ফিচার, ক্যাপাসিটি আর টেকনোলজি অফার করে। কারও ওভেনে ভালো হিট ডিস্ট্রিবিউশন, কারও আবার প্রিসেট কুকিং মোড বা এনার্জি এফিশিয়েন্সি বেশি। আজকের আর্টিকেলে আমরা চেষ্টা করবো বিষয়টাকে সহজভাবে ভেঙে বুঝাতে। খুব টেকনিক্যাল জটিলতায় যাবো না। বাস্তব ব্যবহার আর গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের দিক থেকেই আলোচনা করবো,কোন কোম্পানির ওভেন ভালো তা নিয়ে। চলুন, বিষয়টি ধাপে ধাপে বুঝে নেওয়া যাক।
৫টি ভালো ব্রান্ডের ওভেন তালিকা
১। Miyako
বাংলাদেশের হোম অ্যাপ্লায়েন্স মার্কেটে Miyako এমন একটি নাম, যেটা গত কয়েক বছরে ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। Miyako Appliance Limited, Dhaka-এর ব্র্যান্ড হিসেবে Miyako মূলত এমন কিচেন ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স তৈরি করছে, যেগুলো আমাদের দেশের ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন, রান্নার অভ্যাস আর ভোল্টেজ কন্ডিশন মাথায় রেখেই ডিজাইন করা। তাই কাগজে-কলমে স্পেসিফিকেশন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বাস্তব ব্যবহারে এগুলো বেশ স্থায়ী এবং কার্যকর পারফরম্যান্স দেয়।
কাস্টমার স্যাটিসফ্যাকশনের দিক থেকে Miyako সাধারণত ভালো ফিডব্যাক পেয়ে আসছে। বিশেষ করে তাদের ওভেন ও মাইক্রোওয়েভ ক্যাটাগরিতে ইউজাররা তাদের সহজ কন্ট্রোল, কনসিস্টেন্ট হিটিং এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারযোগ্যতা পছন্দ করে আসছে। খুব জটিল টেকনিক্যাল সেটআপ না রেখে, Miyako বেশিরভাগ মডেলেই রোটারি নোব বা মেকানিক্যাল কন্ট্রোল ব্যবহার করে, যা আমাদের দেশের অনেক ইউজারের কাছেই বেশি সুবিধাজনক।
ওয়ারেন্টি ও আফটার-সেলস সার্ভিসের ক্ষেত্রেও Miyako তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য। বাংলাদেশে লোকাল ব্র্যান্ড হওয়ায় স্পেয়ার পার্টস এবং সার্ভিস সাপোর্ট পাওয়া সহজ। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য একটি ওভেন কিনলে এই সার্ভিস সাপোর্ট বিষয়টি কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অনেক বড় উপযোগী বিষয় হয়ে ওঠে।
ওভেন ক্যাটাগরিতে Miyako মূলত মাল্টি-ফাংশনাল ইলেকট্রিক ওভেন + এয়ার ফ্রায়ার সেগমেন্টে বেশি ফোকাস করেছে। যেমন,
- Miyako MT-450RCL-D-RB (45L) মডেলটি যারা এয়ার ফ্রাই, বেক, গ্রিল আর রোটিসেরিসহ সব একসাথে চান, তাদের জন্য ভালো ব্যালান্সড একটি অপশন। কনভেকশন ফ্যান আর টপ-বটম হিটিং এলিমেন্টের কারণে এটি সমানভাবে রানাতে বেশ কার্যকর।
- একটু বড় ফ্যামিলি বা হেভি কুকিংয়ের জন্য Miyako MT-60RCL (60L) মডেলটি বেশি কার্যকর। এটিতে পাওয়ারফুল 1800W আউটপুট, ওভার-হিট প্রোটেকশন আর অটো শাট-অফের মতো সেফটি ফিচার দেওয়া আছে।
- আবার যারা ক্লাসিক OTG টাইপ ফিল চান, তাদের জন্য Miyako MT-52 RCL (52L) মডেলটি 6-স্টেজ হিটিং, 100°C–250°C টেম্পারেচার কন্ট্রোল আর নন-স্টিক চেম্বারের কারণে বেশ ভালো একটি চয়েস।
খুব বেশি এক্সপেরিমেন্টাল ফিচারের চেয়ে, দৈনন্দিন রান্নায় ভরসা করার মতো একটি ওভেন চাইলে Miyako নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের কনটেক্সটে একটি শক্ত অবস্থানে থাকা ব্র্যান্ড।
২। Panasonic
Panasonic কে বাংলাদেশের অনেক ব্যবহারকারী বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবেই চেনেন। ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে Panasonic বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষকে তাদের ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সে উন্নত প্রযুক্তি, টেকসই ডিজাইন এবং ব্যবহারকারীর জীবনকে সহজ করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে।
Panasonic প্রোডাক্টগুলো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি ওয়ারেন্টি সাপোর্ট দিয়ে থাকে এবং অনেক ক্ষেত্রে পার্টস ও সার্ভিস ওয়ারেন্টি এক বছরের বেশি পর্যন্ত থাকে, বিশেষ কিছু ক্যাটাগরিতে নির্দিষ্ট ফাংশনাল পার্টের জন্য আরও দীর্ঘ সময়ের ওয়ারেন্টিও পাওয়া যায়। আমাদের দেশে Panasonic অ্যাপ্লায়েন্সের জন্য অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টার ও অথরাইজড সাপোর্ট নেটওয়ার্ক আছে।
গ্রাহক সন্তুষ্টিতে Panasonic বিশেষভাবে নজর দেয়। তাদের প্রোডাক্টের ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও স্থায়িত্ব নিত্যদিনের ব্যবহারে ভালো কার্যক্ষমতা দেয়, তাই অনেক রিভিউ পোর্টালে Panasonic প্রোডাক্টগুলোর রেটিং সাধারণত অনেক ভালো থাকে।
এবার একটু দেখি Panasonic-এর ওভেন/মাইক্রোওভেন ক্যাটাগরির কিছু জনপ্রিয় মডেল।
- Panasonic NN-SM255: এটি একটি কমপ্যাক্ট কিন্তু শক্তিশালী Solo Microwave Oven, যেটা প্রতিদিনের রান্না ও রিহিটিং-এর কাজগুলো সহজ করে দেয়। এতে ৫টি পাওয়ার লেভেল ও বিল্ট-ইন টাইমার থাকার কারণে আপনি খাবারগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে গরম/কুক করতে পারবেন।
- Panasonic NN-GT342M: এই Grill Microwave ওভেনটি দিয়ে খাবার গরম করার পাশাপাশি গ্রিল করার সুবিধাও পাওয়া যাবে। এটি দিয়ে ব্রেড ক্রিস্প, চিকেন ব্রয়েল কিংবা পনির গ্রিল সবই সহজে করা যায়। এতে থাকা ৪-ডিজিট LED ডিসপ্লে ও টাচ কন্ট্রোল প্যানেলগুলো তাপমাত্রা দ্রুত অ্যাডজাস্ট করতে সাহায্য করে।
- Panasonic NN-CT69MYTE: এটি Panasonic-এর Convection Microwave Oven সেগমেন্টের একটি স্ট্রং প্যাকেজ। এর Convection + Grill + Microwave মোডগুলোর কম্বিনেশন আপনাকে রোস্টিং, বেকিং, খাবার গরম করাসহ সবকিছুতেই ভালো পারফরম্যান্স দিবে। এছাড়াও এতে থাকা Magic Grill ও 360° Heat Wrap-এর মতো ফিচারগুলো খাবারকে সুন্দরভাবে রান্না করে বাইরে ক্রিস্পি আর ভিতরে নরম রাখে।
সার্বিকভাবে দেখতে গেলে Panasonic ওভেন/মাইক্রোওভেনগুলো বেশি ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, স্টেবল পারফরম্যান্স ও একাধিক কুকিং অপশন-এর জন্য জনপ্রিয়। এছাড়াও Panasonic ব্রান্ডের পিছনে দীর্ঘ ইতিহাস ও বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা একটি আস্থার প্রতিক হিসেবে কাজ করে।
৩। SAMSUNG
Samsung Electronics কে শুধু স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি একটি বিশ্বব্যাপী টেক জায়ান্ট, যারা হোম অ্যাপ্লায়েন্স, কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স থেকে শুরু করে স্মার্ট লাইফস্টাইল গেজেটে পর্যন্ত বিস্তৃত । Samsung বর্তমানে ইনোভেশন আর বিশ্বস্ততার সম্মিলিত এক নাম। বর্তমানে তারা নিয়মিত Interbrand-এর Global Top 5 Best Brands তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে।
Samsung সব সময়ই কাস্টমার সন্তুষ্টিকে সবার আগে প্রাধান্য দেয়, এবং বাংলাদেশে অফিসিয়াল ও অথরাইজড সার্ভিস সেন্টার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে After-Sales Support প্রদান করে থাকে। গ্রাহকদের কোথাও সমস্যা বা প্রশ্ন থাকলে Samsung এর হেল্পলাইন, WhatsApp সাপোর্ট, ইমেইল সাপোর্ট এবং সার্ভিস সেন্টার-এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।
ওয়ারেন্টির ব্যাপারেও Samsung সাধারণত নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য ম্যানুফ্যাকচারার ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে Samsung সার্ভিস সেন্টারগুলোতে জেনুইন পার্টস ও প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ানরা সার্ভিস দেয়। কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে Samsung স্পেয়াৰ পার্টস-এর জন্য বিশেষ ওয়ারেন্টিও দিয়ে থাকে।
এবার চলুন Samsung-এর জনপ্রিয় মাইক্রোওভেন মডেলগুলো খুব সংক্ষেপে দেখে নেই।
- Samsung MS23K3513AKD2: এই মডেলটি প্রতিদিনের রান্না ও রিহিটিং-এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এতে থাকা Ceramic Enamel cavity-এর কারণে এটি পরিষ্কার রাখা খুব সহজ, আর Quick Defrost ও Keep Warm মতো ফিচারগুলো রান্নাকে আরও ঝামেলামুক্ত করে তোলে।
- Samsung MG23K3515AK/D2: এই মডেলটি Grill Function-এর মাধ্যমে ক্রিস্পি স্ন্যাকস বা গ্রিলড খাবার তৈরি করতে সাহায্য করে। এর Eco Mode স্টান্ডবাই-তে কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং Deodorization Function-এর মাধ্যমে ওভেনের ভেতরের ধোয়া বা গন্ধ দ্রুত বের করে দেয়।
Samsung ওভেন/মাইক্রোওভেনগুলো সাধারণত স্মার্ট কুকিং ফিচার, ক্লিন ইন্টেরিয়র, আর স্টেবল পারফরম্যান্স-এর জন্য জনপ্রিয়। Warranty ও সার্ভিস-এর বিবেচনায় Samsung-এর After-Sales সার্ভিস সাপোর্ট ও অথরাইজড সার্ভিস সেন্টার নেটওয়ার্ক থাকায় অনেক গ্রাহক তাদের ওভেন কিনতে স্বস্তি বোধ করেন।
৪। Hisense
Hisense নামটি অনেকের কাছে আগে থেকেই পরিচিত হলেও বাংলাদেশি কনটেক্সটে এটি আরও একটি বিশেষ আশা জাগানোর মতো ব্র্যান্ড। কারন Hisense-এর পণ্যগুলো বাংলাদেশের অবস্থা বিবেচনায় খুবই সময়োপযুগী। তারা Televsion, Air Conditioner, Refrigerator, Washing Machine ছাড়াও Microwave Oven/Convection Oven-এর মতো হোম অ্যাপ্লায়েন্স তৈরির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে গুণমান নিয়ে এসেছে।
বাংলাদেশে Fair Electronics/Hisense এর পণ্যগুলো সাধারণত ওয়ারেন্টি সাপোর্ট সহ থাকে, এবং দেশের বিস্তৃত রিটেইল ও সার্ভিস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে After-Sales সার্ভিসও সহজে পাওয়া যায়। তাদের ৫৯টির মতো Smart Plaza ও ২৫০+ পার্টনার আউটলেট থাকায় গ্রাহক যেকোনো সমস্যায় সহজেই অথরাইজড সাপোর্ট পেতে পারবেন।
Hisense ওভেন/মাইক্রোওভেন সেগমেন্টে প্রায় সব ধরনের পরিবারের জন্য তাদের বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড পর্যায়ের ওভেন/মাইক্রোওভেন রয়েছে এবং তারা মূলত সহজ ইউজার ইন্টারফেস, ক্লিন ইন্টেরিয়র কেভিটি, অটোমেটিক ডিফ্রস্ট/টাইমার সাপোর্ট এবং ইফিসিয়েন্ট হিটিং প্রযুক্তি-তে কাজ করে থাকে।
এবার Hisense-এর কিছু জনপ্রিয় ওভেন মডেল খুব সংক্ষেপে দেখা যাক।
- Hisense H20M0BS2H একটি কমপ্যাক্ট 20L Solo Microwave যাতে রয়েছে 5-লেভেল পাওয়ার কন্ট্রোল, গ্রে কেভিটি ইন্টেরিয়র এবং টাইমার/ডিফ্রস্ট ফাংশনসহ নানান ফিচার যা রান্না ও রিহিটিং-এর জন্য সেরা সমাধান।
- Hisense H28MOBS10HC মডেলটি একটু অ্যাডভান্সড কুকিং এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এতে Microwave, Grill এবং Convection Cooking সব একসাথে পাওয়া যাবে এবং 28L-এর বড় ক্যাপাসিটি-তে আপনি বেক, রোস্ট বা ক্রিস্প খাবার তৈরি করতে পারবেন।
সার্বিকভাবে Hisense ওভেনগুলো বাংলাদেশি বাজারের জন্য লোকাল অ্যাক্সেস, বিশ্বাসযোগ্য After-Sales সাপোর্ট এবং সহজ-সুন্দর কুকিং অভিজ্ঞতার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষত যারা একটি বাজেট-স্মার্ট কিন্তু ফিচার-সেট-সমৃদ্ধ মাইক্রোওভেন/কনভেনশন চাইছেন, তাদের জন্য Hisense একটা ভালো চয়েস।
৫। Ocean
Ocean ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশ কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সে একটি বাজেট-ফোকাসড কিন্তু কার্যকর ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। বর্তমান সময়ে এটি ব্যবহারকারীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপশনগুলোর একটি। বিশেষ করে যারা বড় ক্যাপাসিটি এবং কম বাজেটের মধ্যে একটি ওভেন চান তাদের জন্য এটি ভালো সমাধান। বাংলাদেশে Ocean মাইক্রোওভেন ও ইলেকট্রিক ওভেন অনেক দোকান ও অনলাইন শপে এক বছর সার্ভিস/ওয়ারেন্টি-সহ পাওয়া যায়।
Ocean এর ওভেনগুলোতে গ্রিল, কনভেনশন, ও বেকসহ প্রায় সকল বেসিক কুকিং ফাংশন যুক্ত থাকে। এর অনেক মডেলেই ওভারহিট প্রোটেকশন ও ডোর সেফটি লক সিস্টেম থাকে।
Ocean ব্র্যান্ডের কিছু উল্লেখযোগ্য মডেলগুলো হলোঃ
- Ocean OMOD90T4: এই ওভেনটিতে একসাথেই পাচ্ছেন ৩০ লিটার ক্যাপাসিটির গ্রিল, কনভেনশন ও মাইক্রোওভেন ফাংশন। এর সহজ কন্ট্রোল ও টাইমার অপশন দিয়ে যেকোনো রান্না বেশ সহজেই ভালোভাবে করা যায়।
- Ocean OEOA225: এটি মূলত একটি Electric Convection Oven যা বেকিং, রোস্টিং ও গ্রিলিং-এ বেশ কার্যকর। উপরে-নিচের হিটিং এলিমেন্ট ও টাইমার দিয়ে আপনার রেসিপিগুলো খুব সুন্দরভাবে কুক করতে পারবেন।
সারসংক্ষেপে বলতে গেলে আপনি যদি বাজেট-ফোকাসড বড় ক্যাপাসিটি ও মাল্টি-ফাংশনাল ফিচারসহ ওভেন চান তাহলে Ocean-এর ওভেনগুলো আপনার জন্য বেশ ভালো চয়েস হতে পারে।
পরিশেষে
প্রতিদিনের লাইফস্টাইল ও রান্নাকে আরো স্মার্ট করতে একটি ভালো মান এবং বিশ্বস্ত ব্রান্ডের ওভেন আপনাকে বেছে নিতে হবে। বর্তমানে মার্কেটে বহুল জনপ্রিয় পাঁচটি ওভেন ব্যান্ড নিয়ে উপরে আলোচনা করা হয়েছে। তাই নিজের চাহিদা ও রুচির উপর ভিত্তি করে ওভেব কেনার সিন্ধান্ত নিন।
সব ব্র্যান্ডের অরিজিনাল ওভেন এক জায়গায় পেতে Apple Gadgets-ই হতে পারে আপনার সবচেয়ে ভরসার ঠিকানা। Apple Gadgets-এ পাবেন অথেন্টিক প্রোডাক্ট, অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি, সাশ্রয়ী ডিসকাউন্ট এবং নির্ভরযোগ্য আফটার-সেলস সাপোর্ট। অনলাইন অর্ডার হোক বা সরাসরি শোরুম ভিজিট- দুটো ক্ষেত্রেই আপনি পাবেন ঝামেলাহীন কেনাকাটার অভিজ্ঞতা।
তাই আজই ভিজিট কর Apple Gadgets এবং আপনার কিচেনের জন্য পারফেক্ট ওভেনটি বেছে নিন নিশ্চিন্তে।

Borhan Uddin Alif is a writer with 3 years of experience, focusing on technology, marketing, and storytelling, and enjoys exploring various niches and topics.
